You’re now subscribed to our newsletter. Stay tuned for the latest news and updates!
১৮ ঘণ্টা আগে
ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষ করে প্রতিবছর ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর বৈধভাবে ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ওমান ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়েও নতুন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সরকার। বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জানান, ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইতালিতে বৈধভাবে অভিবাসনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার কর্মী এই সুযোগের আওতায় যেতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। শুধু ইতালিই নয়, ওমানের শ্রমবাজার নিয়েও অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, দেশটির শ্রমবাজারে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে কৃষি ও আধুনিক মৎস্য আহরণ খাতে নতুন করে আরও ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে। এদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য দেশটির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, সরকার বিভিন্ন মত, পথ ও আদর্শকে ধারণ করে এবং বিরোধী দলের নেতাদের দাবিগুলো পূরণে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। তবে সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়গুলোকে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি হিসেবে তুলে ধরার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্টরা রাজপথের পরিবর্তে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসবেন।

২ মাস আগে
ইতালিতে বসবাসরত কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের জন্য এসেছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুখবর। দেশটির সাংবিধানিক আদালতের সাম্প্রতিক এক রায় বদলে দিতে পারে হাজারো মানুষের ভবিষ্যৎ। বিশেষ করে বাংলাদেশিসহ সেইসব অভিবাসীদের জন্য, যাদের স্যানাটোরিয়া বা ২০২০ সালের ইমার্সিওন কর্মসূচির আবেদন এতদিন শুধু একটি প্রশাসনিক কারণে আটকে ছিল।

২ মাস আগে
সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার প্রবণতার মধ্যে নতুন একটি চিত্র উঠে এসেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছেন বাংলাদেশিরা। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ হাজার ৬২৩ জন অভিবাসী সমুদ্রপথে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছেন।

২ মাস আগে
ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে আর পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন জিন্নাত খান খোকন। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত পরিণত হলো এক হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডিতে। ইতালির কাতানিয়া শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমান খানের ছেলে।

৩ মাস আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় আইন কার্যকর হওয়ার পর অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইতালি। ঢাকায় ইতালির দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, লিবিয়া বা অন্য কোনো ট্রানজিট দেশ হয়ে অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে আর দেশটির ভূখণ্ডে প্রবেশের সুযোগ মিলবে না। দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ জুন থেকে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে যারা অবৈধ পথে ইতালিতে ঢোকার চেষ্টা করবেন, তাদের সীমান্তেই আটক করা হবে এবং দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। ফলে ইতালিতে থেকে কাজ করা বা বসবাসের কোনো সুযোগ তাদের জন্য থাকবে না।
