You’re now subscribed to our newsletter. Stay tuned for the latest news and updates!
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান হতে চলেছে। আগামী মাস থেকেই এ বিষয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বুধবার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে মোট ৩০ হাজার ৮০১ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। ৯ জুন এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, আটককৃতদের মধ্যে ২ হাজার ৩২৪ জন তাদের ভিসা বা পাসের অপব্যবহার করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, তারা যেই উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন, বাস্তবে তার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ আবারও খুলতে যাচ্ছে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। জাতীয় সংসদে দেওয়া এক লিখিত জবাবে তিনি জানান, সৌদি আরবের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া। আর সেই বাজার পুনরায় পুরোপুরি উন্মুক্ত করতে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত লাখো বাংলাদেশি প্রবাসীর জন্য আসছে বড় সুখবর! কারণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন মালয়েশিয়াকে। আগামী ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার। সম্প্রতি ঢাকা সফরে এসে কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার এবং এসি টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন কারিগরি খাতে কর্মী নিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে দেশটি।

দেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে আবারও আলোচনায় অনিয়ম, অতিরিক্ত ব্যয় এবং সিন্ডিকেটের অভিযোগ। দেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে আবারও আলোচনায় অনিয়ম, অতিরিক্ত ব্যয় এবং সিন্ডিকেটের অভিযোগ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও বলছে, বর্তমান ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে নিরাপদ শ্রম অভিবাসন সম্ভব নয়। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রিক্রুটিং এজেন্সি, শ্রমিক প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ এবং অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ। আলোচনায় উঠে আসে, সীমিত সংখ্যক এজেন্সিকে সুযোগ দেওয়ার কারণে নিয়োগ ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে এবং একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে।
